দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে পুরোদমে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। শনিবার ভোরে খনির ১৩০৬ নং ফেজ থেকে এ কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম সরকার গতকাল দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিএমসির এক্সএমসির তত্ত্বাবাধনে তিন শিফটে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। এতে গড়ে প্রতিদিন ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
ফলে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব ইউনিটে কয়লা সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি জানান, শনিবার ভোর থেকে তিন শিফটে মোট ২ হাজার ৭৩১ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। এতে চীনা ৩০০ জন ও ২৯৩ বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করছেন। শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলে দিনে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টন করে কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে। বর্তমানে কয়লা খনিতে দেশী-বিদেশী যেসব শ্রমিকের করোনা নেগেটিভ এবং কোনো উপসর্গ নেই, সেসব শ্রমিক দিয়ে কয়লা উত্তোলনকাজ শুরু করা হয়েছে।
খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরো জানান, গত ২৭ জুলাই নতুন ১৩০৬ নং ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। কিন্তু একসঙ্গে শতাধিক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ করে
দেয়া হয়েছিল। এর পর ৬ আগস্ট থেকে স্বল্পসংখ্যক চীনা ও দেশী শ্রমিক দিয়ে এক শিফটে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ায় শনিবার বিকাল থেকে পুরো তিন শিফটে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়েছে।
কয়লা খনি সূত্রে জানা গেছে, ১৩১০ নং ফেজে কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল ফেজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পরে নতুন ফেজ ১৩০৬-এ যন্ত্রপাতি স্থানান্তর করা হয়েছে। পরে দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় ২৭ জুলাই নতুন ফেজ থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়েছে।










