লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ তিন দিন পর ফেরত দিল ভারতীয় পুলিশ।
আজ শুক্রবার দুপুরে পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর সীমান্তের ৮৫৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় ভারতীয় কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় রায় পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্তের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন। এসময় বিজিবি-বিএসএফের উভয় দিকের কোম্পানি কমান্ডারসহ জওয়ানরা উপস্থিত ছিলেন।
নিহত যুবকের নাম জাহিদুল ইসলাম (২২)। তিনি পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামুপর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে।
গত ১৬ ডিসেম্বর বুধবার ভোরে উপজেলার শ্রীরামপুর সীমান্তের ৮৫২ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় বিএসএফের গুলিতে নিহত হন তিনি। এরপর বিএসএফ ও মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ নিয়ে যায়। এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফ দফায় দফায় পতাকা বৈঠক করে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার ভোরে সীমান্তের ৮৫২ নম্বর মেইন পিলার এলাকা দিয়ে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের সহায়তায় বাংলাদেশী একটি দল গরু আনতে গেলে ভারতীয় কোচবিহার-১৪০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের রতনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহল দলের গুলিতে নিহত হন জাহিদুল ইসলাম। এসময় গুলিতে ভারতীয় ও বাংলাদেশী আরো দুইজন আহত হন।
রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের শমসেরনগর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আজহারুল ইসলাম আজ জাহিদুলের মরদেহ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদপত্র দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত বলেন, আজ দুপুরে মরদেহ বুঝে নিয়ে তার নিহতের বাবা দুলাল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেছি। বিএসএফের গুলিতেই জাহিদুলের মৃত্যুর বিষয়টি ভারতীয় পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে উঠে এসেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।










