বান্দরবান সদরের সুয়ালক ইউনিয়নে এক কিশোরীকে পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার তিন নারীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার ওই কিশোরীর মায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযুক্তদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা সুরাইয়া আক্তারের আদালত।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সুয়ালক ইউনিয়নের কাইচতলি এলাকার আবদুল সালামের ছেলে আবুল মাসুদ মুন্না (৩৮), তার
স্ত্রী সেলিনা আক্তার দিতি (২৬), চট্টগ্রামের
রাউজানের ডাবুয়া এলাকার মো. ইয়াহিয়ার স্ত্রী কামরুন নাহার সাথী (৩৭), সিএমপি
লালখান বাজার মতি ঝরনা এলাকার মো. হারুনের মেয়ে নাসরিন আক্তার শিল্পী (২৪)।
এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী হিসেবে অভিযুক্ত মুন্নার পরিবারের সম্পর্ক ছিল। গত ১৪ জুন ওই কিশোরী আবুল মাসুদ মুন্নার বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরদিন ১৫ জুন মেয়েকে আনতে গেলে মুন্না কিশোরীর মাকে জানান, কিশোরী কাউকে কিছু না বলে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছে। তাকে খুঁজে না পেয়ে ওইদিন আবুল মাসুদ মুন্না নিজে বান্দরবান সদর থানায় একটি জিডি করেন। এর প্রায় এক মাস পর গত ১২ জুলাই মো. মানিক (শান্ত) নামের এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে কিশোরীর মাকে জানায়, তার মেয়েকে মুন্না ও তার স্ত্রী প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম নিয়ে আসে এবং অন্যদের সহায়তায় তাকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ মামলায় তিন নারীসহ পাঁচ ব্যক্তি ও অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মা।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে নারী পাচারকারী চক্রের যোগসাজশ রয়েছে। এ চক্রে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশের জিআরও মো. কাউসার।










