ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় এমন কোনো প্রয়াসের সুযোগ দেয়া হবে না। যারা উপাসনালয়ে
হামলা করে, আমরা তাদের ক্রিমিনাল মনে করি। এসব ক্রিমিনালদের দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির
আওতায় আনা হবে। একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এই ইস্যুটাকে চাঙ্গা করছে। আমার
যেমন অধিকার আছে, অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদেরও একই অধিকার আছে। এদেশে কোনো বৈষম্য
থাকবে না এবং সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। আমরা হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ভাইদের সঙ্গে
আছি ও থাকব।
আজ বুধবার (২১ আগস্ট) চমেক হাসপাতালে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং আল সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের
চেয়ারম্যান শায়েখ আহমদ উল্লাহসহ অনেকে।
আহতদের নিয়ে একটি ফাউন্ডেশন গঠনের প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে উল্লেখ করে ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একটি ফাউন্ডেশন
করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। সেখানে সব তথ্য থাকবে। যারা আহত হয়েছে তাদের পারিবারিক
সহায়তা এবং লেখাপড়া এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করা হবে। এটি সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে
হতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত যারা আছেন আমরা তাদের
সঙ্গে আছি, পুরো জাতি তাদের সঙ্গে আছে। ছাত্র আন্দোলনে যারা আহত হয়েছে তারা একবারে
সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার সরকার বহন করবে। যদি বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন, কোনো
রোগীকে বিদেশে পাঠাতে হবে, তাহলে আমরা তাতেও সম্মত আছি।










