সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার পাকিস্তান-বাংলাদেশ ‘নলেজ করিডোর’ উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। উভয় পক্ষ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল যুব উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি (অ্যাক্রেডিটেশন) সংক্রান্ত বিষয়।
হাইকমিশনার পাকিস্তানের শিয়ালকোটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফরওয়ার্ড স্পোর্টসের তৈরি একটি ফুটবল শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে উপহার হিসেবে তুলে দেন। এর আগে একই ধরনের এক হাজার ফুটবল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিএসএইচই) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের সরকারি স্কুলগুলোতে বিতরণ করা হবে।
উচ্চমানের এসব ফুটবল বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ফিটনেস চর্চাকে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগের খেলা ফুটবলে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।










