হেপাটাইটিস বি রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নকল করায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুধু হেপাবিগ নয়, ভিটামিন ডি৩ অ্যাম্পুল ইনজেকশন, রেসোগাম পি, ক্লোপিকজল ডিপোর্ট, ফ্লুয়ানজল ডিপোর্ট, হেপাবিগ হেপাটাইটিস বিসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী নকল অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি করত তারা। আর এসব ওষুধ ব্যবহারে সাধারণ মানুষের জীবনহানির মতো ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ। গতকাল নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
ডিবি প্রধান বলেন, ‘হেপাবিগ ভ্যাকসিন নামের ইনজেকশনটি ব্যবহার হতো হেপাটাইটিস বি রোগ প্রতিরোধে। দেশের বাজারে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকা দামের কোরিয়ান এ ভ্যাকসিন কেরানীগঞ্জে তৈরি করত একটি চক্র। গর্ভবতী মায়েদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ ওষুধ মাত্র ১০ টাকার টিটেনাস দিয়ে নকল সিল বসিয়ে বাজারে বিক্রি করত তারা। রাজধানীর কোতোয়ালি ও কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে নকল ভ্যাকসিন ও ওষুধ তৈরির অভিযোগে চক্রের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে কয়েক লাখ নকল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি টাকারও বেশি। অভিযুক্তরা হলেন আনোয়ার হোসেন, অসিম ঘোষ, মশিউর রহমান ওরফে মিঠু ও নূরনবী।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ডিবি পুলিশের অভিযানে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের নকল ওষুধসহ একটি বড় চক্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এরই মধ্যে আমাদের কাছে খবর আসে, তাদেরই সহযোগী মিটফোর্ড থেকে ওষুধের কাঁচামাল সংগ্রহ করে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ইনজেকশন তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিল।










