অসুস্থ রেলকে সুস্থ করতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। শনিবার (১১ মে) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেলযোগে আম পরিবহন বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এক সময় রেল ধুঁকে ধুঁকে চলেছে। অনেক জায়গায় রেললাইন খুলে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। লাইন তুলে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। দক্ষ কর্মচারীদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের নামে বিদায় করা হয়েছে। নানাভাবে আমরা আউট সোর্সিংয়ে লোক নিয়ে কাজ চালাচ্ছি। লোক নিয়োগের জন্য কাজ শুরু করেছি, সময় লাগবে।
জিল্লুল হাকিম বলেন, আম এমন একটি জিনিস, যেটি পচনশীল। এটি যেমন সুস্বাদু তেমন দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আম পরিবহন খুবই সেনসিটিভ। ট্রাকে করে পাঠাতে তিন থেকে ৪ টাকা পড়ে। রেলে আম পরিবহন করতে সেটি সেভ হবে। সমস্যা থাকবেই। একটা কিছু শুরু করলে সমস্যা হবে। ত্রুটি থাকবে। সেগুলো আমরা সমাধান করবো। ডাবল লাইন একদিনেই হবে না। আমরা কাজ শুরু করেছি। অনেকগুলোর প্রকল্প প্রণয়ন করছি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরকার শাহাদাৎ আলী বলেন, ৩৮টি লাগেজ ভ্যান আছে, ১২টি এসি লাগেজ ভ্যান আছে। আন্তঃনগর ট্রেনে এগুলো আমরা লাগাবো। আমরা শুধুমাত্র ডোর টু ডোর করতে পারছি না। সেটিও আমরা পাঠাও বা অন্যান্যদের সঙ্গে চুক্তি করে ডেলিভারি সক্ষম হবো।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থেকে ঢাকা রুটে ১০ জুন থেকে চালু হবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। চাঁপাইনবাবঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আমের পরিবহন ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা আর রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে। ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। সেমিনারে রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোরের জেলার প্রশাসক, স্থানীয় এমপি ও রেল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










