সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে। সিলেট অঞ্চলে প্রাথমিকে দুই হাজার সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদের বিপরীতে ৫২ হাজার ৪৭০
প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষায় প্রতি পদের বিপরীতে লড়বেন ২৬ জন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের চার জেলার ৫ হাজার ৫৪টি বিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১২৪টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৬০টি প্রধান শিক্ষক ও ১ হাজার ৯৬৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ খালি। এছাড়া বিভাগের চার জেলায় অফিস সহকারী, এমএলএসএস ও নৈশপ্রহরীসহ আরো সহস্রাধিক কর্মচারীর পদ খালি রয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ) আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে দুই দফা পিছিয়ে এ তারিখ ঘোষণা করা হয়। পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে এরই মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সিলেট জেলায় ৭ হাজার ৮৬৫টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ৬৭০টি, সুনামগঞ্জে ৭ হাজার ২৫৪টি পদের বিপরীতে শূন্য ৭৫১টি, হবিগঞ্জে ৫ হাজার ৩২৪টি পদের বিপরীতে শূন্য ২৪৬টি ও মৌলভীবাজারে ৫ হাজার ৩৩৮টি পদের বিপরীতে ২৯৭টি সহকারী শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে প্রধান শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে ১ হাজার ১৬০টি। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৩৩৫টি, সুনামগঞ্জে ৩১০টি, হবিগঞ্জে ২১৯টি ও মৌলভীবাজারে ২৯৬টি।
এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘অবসরজনিত কারণে প্রতি মাসেই সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়। জুলাই থেকে নতুন শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় শূন্যপদ আরো বেড়েছে। ৮ ডিসেম্বর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি উত্তীর্ণদের মাঝ থেকে শিক্ষকের শূন্যতা পূরণ হবে।’
এদিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সিলেট বিভাগে ১ হাজার ৯৬৪টি সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদের বিপরীতে এবার আবেদন করেছেন ৫২ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১২ হাজার ৯৫৫ জন, সুনামগঞ্জে ১৫ হাজার ১০৭, হবিগঞ্জে ১৩ হাজার ৬৪১ ও মৌলভীবাজার জেলায় আবেদন করেছেন ১০ হাজার ৭৬৭ জন।










