ঈদুল ফিতরের
চাঁদ দেখা না যাওয়ায় বুধবারের পরিবর্তে বৃহস্পতিবার হবে ঈদ। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরতা
থাকায় বুধবারের (১০ এপ্রিল) টিকিট অগ্রিম ছাড়েনি রেলওয়ে। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঘোষিত
ঈদযাত্রা শেষ হয়েছে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল)। সেদিন পর্যন্ত স্টেশনে ও ট্রেনে মানুষের ব্যাপক
ভিড় ছিল।
ঈদের চাঁদ
না দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে বিক্রি শুরু হয় বুধবারে ট্রেনের টিকিট।
ফলে নানা কারণে যারা বাড়ি যেতে পারেননি, তারা ঈদের আগের দিন বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা
করতে পারছেন।
বুধবার ঢাকা
রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের মতো অতিরিক্ত যাত্রীচাপ না থাকলেও অনেকে ঢাকা
ছেড়ে যাচ্ছেন। স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনে প্রথম এরিয়ার প্রথম চেকপোস্টে গোটা
কয়েক লোকের ভিড়। প্ল্যাটফর্ম এলাকার প্রবেশের প্রধান গেটেও নেই তেমন কোনো জটলা। যাত্রীর
চেয়ে টিটিইর সংখ্যাই যেন সেখানে বেশি। প্রতিটি প্লাটফর্মের চার ভাগের এক ভাগ যাত্রী
রয়েছে। ট্রেনগুলোর কোচের অধিকাংশ সিট খালি।
মূলত ঈদের
দিন আন্তঃনগর ট্রেন বন্ধ থাকে। তাই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে তিন দিনের টিকিট বিক্রি
বন্ধ রেখেছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদ ১১ এপ্রিল হওয়ায় ১০ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট মঙ্গলবার
রাতে বিক্রি শুরু করেছিল রেলওয়ে।
বাড়ি ফেরার
আনন্দে উচ্ছ্বসিত জাহানারা আক্তার রেশমা নামে এক কর্মজীবী নারী। তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন
অতিরিক্ত একদিন পেয়ে। রেশমা বলেন, ‘আজ ঈদ হলে বাড়ি যাওয়া হতো না। গতরাতেই অনলাইনে টিকিট
কিনেছি। আজ ঈদ না হওয়ায় পাঁচ দিনের ছুটি পেয়েছি।’
রেলওয়ে
ঢাকা বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বলেন, ‘ব্লক থাকা টিকিট গতকাল
রাত থেকে থেকে বিক্রি শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত অধিকাংশ টিকিটি বিক্রি হয়ে গেছে। হয়তো
কিছুসংখ্যক আসন খালি রয়েছে। ঈদের আগের দিন হওয়াতে এমন হয়েছে।’
তিনি আরো
বলেন, ‘প্রতিদিন ৬৭টি ট্রেন ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে
ছেড়ে যায়। এর মধ্যে আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে ৪২টি এবং লোকাল ও মেইল ট্রেন রয়েছে ২৫টি।
আজ পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ছাড়া সবক’টি ট্রেন ঢাকা স্টেশন ছেড়ে
যাবে।’










