বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আগামীতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের আরো বেশি সম্পৃক্ত করা হবে। সেজন্য ওয়ার্ডপ্রতি এক বা একাধিক নাগরিক কমিটি করে দেব। এটি যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন হয় বা কোনো অনিয়ম না হয়- সেটি তারা নিশ্চিত করবেন।

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সিলেটের লাক্কাতুরা এলাকায় টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিসিবির পণ্য সরবারহ কার্যক্রম যেন জন-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়- সেটা আমরা নিশ্চিত করব।

পরিদর্শনকালে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সাল আজাদ, মহানগর বিএনপির নেতা রেজাউল হাসান কয়েস লোদি, নাসিম হোসেন ও এমদাদুল হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরে নগরীর ফুড প্যারাডাইজ রেস্টুরেন্টে জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রচারণার সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যে পরিকল্পনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি- তা আগামী পাঁচ বছরে অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। সিলেটের জীবনমান উন্নয়নে সব কাজ আগামী দিনে দৃশ্যমান হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্যকে স্থিতিশীল রাখা আমাদের মন্ত্রণালয়ের অন্যতম কাজ। এবার আমরা দায়িত্ব নিয়েছি রোজার একদিন আগে। তবে যে পরিমাণ খাদ্য মজুদ ও ভোগ্য পণ্যের সরবরাহ আছে তাতে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। মূলত আমদানি নির্ভর ভোগ্যপণ্য যেগুলো রোজায় বেশি ব্যবহার হয়, সেগুলো স্থিতিশীল পর্যায়ে আছে। এ সময় তিনি বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য বাজার মনিটরিং ও ভোক্তা অধিকারের মনিটরিং জোরদার করার কথা উল্লেখ করেন।

সিলেটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতি লালন করব,ধারণ করব এবং দিন দিন এটিকে বৃদ্ধি করব। আমরা সিলেটের জন্য যে কাজগুলো করব সেগুলো কারো ব্যক্তিগত কাজ নয়-দলগত।

তিনি বলেন, সিলেট- ঢাকা মহাসড়ক সংস্কার হলে ব্যক্তি নয় পুরো সিলেট উপকৃত হবে, সিলেটে পানির সমস্যা সমাধান হলে কোন ব্যক্তি বরং পুরো সিলেট সুফল ভোগ করবে। তাই, আমরা সবাই মিলে সিলেটকে এগিয়ে নিতেই কাজ করব।