গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশী শিক্ষার্থীরা আরো সহজে উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশে ভিসা নিয়ে আসতে পারবেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলা এবং দেশের উচ্চ শিক্ষাকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ৯০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে এহছানুল হক মিলন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও টিভিইটি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে উচ্চ শিক্ষায় এআইয়ের ব্যবহার আরো বাড়ানো প্রয়োজন।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিউএস র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান আরো উন্নত করতে হলে গবেষণার পরিধি ও মান বাড়াতে হবে। পাশাপাশি “‍ক্রস-বর্ডার এডুকেশন”-এর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সংযুক্ত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ঘাটতি নেই। দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি গবেষণায়ও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন। বিদেশে অবস্থানরত মেধাবীদের “‍রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন”-এর মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন এবং কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান বক্তব্য দেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ।