সিলেট অঞ্চলের অনেক কৃষিজমি শুকনো মৌসুমে সেচের পানির অভাবে অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হয়। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাঙ্গাইল থেকে বলাউরা পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বংশীখাল খনন করা হবে।’
গতকাল সিলেট সদর উপজেলায় ‘জাঙ্গাইল সুরমা নদী থেকে বলাউরা জিলকার হাওর পর্যন্ত বংশীখাল খনন’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘খালটি খনন সম্পন্ন হলে প্রায় ছয় হাজার হেক্টর কৃষিজমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এর ফলে কৃষকরা অতিরিক্ত ফসল উৎপাদনের সুযোগ পাবেন, তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
নির্বাচনী অঙ্গীকার নিয়ে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘নবনির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে দেয়া নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২১ দিনের মধ্যেই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার নির্বাচনের সময় জনগণের সামনে যে উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো উপস্থাপন করেছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে সিলেটসহ সারা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাবে সরকার।’
পরে বাণিজ্যমন্ত্রী বংশীখাল খননকাজের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সরওয়ার আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোশনূর রুবাইয়াতসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ রউফ জুনিয়র স্কুল প্রাঙ্গণে উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মাথায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ কর্মসূচি শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ৬৯৭ জন ফ্যামিলি কার্ডের তালিকাভুক্ত হয়।










