গতকাল রাত ১২টার পর থেকে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের উপব্যবস্থাপক মো. মাসুদ আলম।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি, মজুদ ও হ্রদের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছর ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছ শিকার বন্ধের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ সময় কাপ্তাই হ্রদের সমগ্র এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ, সংরক্ষণ/শুকানো, পরিবহন ও বাজারজাত নিষিদ্ধ থাকে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকে স্থানীয় বরফ কলগুলোও।
তবে এ বছর মা মাছের প্রজননের সময় ঘনিয়ে আসা ও হ্রদের পানি কমতে থাকায় ছয়দিন আগে অর্থাৎ ২৫ এপ্রিল রাত ১২টার পর থেকে মাছ শিকার বন্ধ হচ্ছে। নির্ধারিত তিন মাসের পর মাছ শিকার শুরু হওয়ার প্রচলিত রীতি থাকলেও পরবর্তী নির্দেশ কাপ্তাই হ্রদের পানির ওপর নির্ভর করবে। নির্ধারিত সময়ে পর্যাপ্ত পানি না বাড়লে বর্ধিত হতে পারে নিষেধাজ্ঞার সময়ও।
নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে মাসুদ আলম বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের মাছের প্রজননের সময় ঘনিয়ে আসা ও হ্রদের পানি কমতে থাকায় ছয়দিন আগে এবার মাছ শিকার বন্ধ হচ্ছে। তিন মাস হ্রদে সব ধরনের মাছ শিকার ও স্থানীয় বরফকলগুলো বন্ধ থাকবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে অব্যাহত থাকবে বিএফডিসি ও নৌ-পুলিশের টহল।’
নিষেধাজ্ঞাকালে কাপ্তাই হ্রদের নির্ভরশীল জেলে পরিবারগুলোকে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য সহায়তা দেবে সরকার। এরই মধ্যে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার প্রায় ২৭ হাজার জেলে পরিবারের জন্য ১ হাজার ৭৩ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে তিন মাস হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ থাকলেও দুই মাসের বরাদ্দ পেয়েছেন জেলেরা। বাকি এক মাসের খাদ্যশস্য পরবর্তী সময়ে বরাদ্দ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।










