রমজান, ঈদ ও মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধের কারণে তেল, গ্যাসসহ সব জ্বালানি এবং নিত্যপণ্যের বাজারে সব পণ্যের দাম বাড়লেও গত মার্চে মূল্যস্ফীতি কমার তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থাটি বলছে, মার্চে মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। আজ রোববার প্রকাশিত মূল্যাস্ফীতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছে সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থাটি।
তাদের প্রতিবেদন বলছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি গেল বছরের অক্টোবরে সর্বনিম্নে পৌছাঁয়। এরপর তা আবারো বাড়তে শুরু করে এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছায়। মূল্যস্ফীতির এ হার আগের ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। তবে মার্চে তা কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এক বছর আগে ২০২৫ সালের মার্চে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
ফেব্রুয়ারি মাঝামাঝিতে শুরু হয় রমজান। ঈদ শেষ হয় মার্চ মাসের শেষ নাগাদ। রোজা ও ঈদ ঘিরে তেল, মাছ, মুরগি, সবজিসহ প্রায় সব খাদ্যপণ্যের দাম চড়া থাকলেও বিবিএস বলছে, গেল মাসে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ হয়েছে। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। যা এর আগের মাসগুলোর তুলনায় সর্বোচ্চ।
এদিকে তেল, গ্যাস, ইলেকট্রনিক ও নির্মাণ পণ্যের দাম বাড়লেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি সামান্য বাড়ার তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি। মার্চে খাদ্য বর্হিভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে এ হার ছিল ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।
দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতির মধ্যে মূল্যস্ফীতির এমন নিম্নমুখীর প্রতিবেদন প্রশ্ন তুলছে বিবিএসের তথ্য নিয়ে।










