সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবি নজরুলকে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়েছেন। কবি নজরুলের কবিতা ও গান আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কবি নজরুলের লেখা রণসংগীত আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপ্ত করেছে। গতকাল বিকালে ময়মমসিংহের ত্রিশালে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মোৎসবের সমাপনী দিনের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ বছর ত্রিশালে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল জন্মোৎসবের মূল অনুষ্ঠান না হওয়ার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার কারণে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন আগামী বছর ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল জন্মোৎসবের মূল অনুষ্ঠান ত্রিশালে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করার জন্য রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হবে।
ত্রিশালের দরিরামপুর হাইস্কুল (বর্তমান ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি) মাঠের নজরুল মঞ্চে স্মারক বক্তা ছিলেন কবি নজরুল ইসলামের দৌহিত্রী
খিলখিল কাজী।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো. শফিকুর রেজা বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু, সংসদ সদস্য ফখরুল ঈমাম, সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জহিরুল হক খোকা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। এ সময় ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামানসহ জেলা উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
এদিকে প্রচণ্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে হাজার হাজার নারী-পুরুষ নজরুল মেলায় ভিড় জমান। সমাপনী দিনে মেলার স্টলগুলোয় ছিল উপচে পড়া ভিড়। বিকিকিনি ছিল অনেক বেশি।










