সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ টাকা। গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকায়। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৬-৩৮ টাকা।

যদিও স্বস্তি ফিরে এসেছে চালের বাজারে। গতকাল মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এ চালের দাম ছিল ৬২-৬৪ টাকা। ৩ টাকা কমেছে নাজিরশাইল, ৪ টাকা কমেছে আটাশ এবং ৫ টাকা কমেছে পাইজাম চালের দাম। বাজারে প্রতি কেজি নাজিরশাইলের দাম ৬৫, আটাশ ৫০ ও পাইজাম ৪৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ৮৬ টাকা দরের চিনিগুঁড়া চালের দাম অপরিবর্তিত আছে।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শ্যামবাজার, যাত্রাবাড়ী, পলাশী, নিউমার্কেট, জুরাইন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এ সপ্তাহে স্থিতিশীল দেখা গেছে সবজির বাজারও। প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৩৫-৫০, পেঁপে ৩৫-৪০, কাঁচা আম ৩০-৪০, চিচিঙ্গা ৩৫, কাঁকরোল ৩০, বেগুন ৩০, শসা ৩০, দেশী কচুর লতি ৫০, আলু ২০ ও কাঁচামরিচ ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে করলার দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। কমেছে লেবুর দাম। আকারভেদে প্রতি হালি লেবুর দাম ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম ৩০০ ও সবুজ ক্যাপসিকাম বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি দেশী রসুন ৭০ ও ভারতীয় রসুন ১২০ টাকা। দেশী আদা ৯০ টাকা এবং চীনা আদা ১০০ টাকা। প্রতি কেজি খেসারির ডাল ৭৬ ও মুগডাল ১৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। সাদা চিনির দাম কমেছে কেজিপ্রতি ২ টাকা এবং লাল চিনির দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। প্রতি কেজি সাদা চিনির দাম ৭০ টাকা এবং লাল চিনির দাম ছিল ৭৫ টাকা। বাজারে প্রতি কেজি আটা ৩০ টাকা এবং ময়দা ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৩৫ টাকায় এবং পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১২৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। প্রতি পাঁচ কেজি বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৫৬০ টাকায়।

ঊর্ধ্বমুখী লাল মাংসের দর। কেজিপ্রতি ৫ টাকা কমেছে সাদা মুরগির দাম। সোনালি মুরগির দাম কমেছে কেজিতে ৩০ টাকা। প্রতি কেজি সাদা মুরগির মাংস ১৩৫ টাকা এবং সোনালি মুরগির মাংস ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে গরুর মাংসের দাম ঊর্ধ্বমুখীই আছে। প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৫৮০-৬২০ টাকা এবং খাসির মাংসের দাম ৭৫০-৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।