করোনা মহামারীর কারণে ১৮ মাস বন্ধের পর শ্রেণিকক্ষে ফিরছেন শিক্ষার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় খুলে দেওয়া হল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সব আবাসিক হল।
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা জানান ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শেখ আব্দুস সালাম। এ সময় শিক্ষার্থীদের ফুল, চকলেট, বিস্কুট ও মাস্ক উপহার দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর আলমগীর হোসেন ভুইয়া ও বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়া আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে উঠছে। তবে, বিভিন্ন হলের গণরুমগুলো আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু আবাসিক কার্ড ধারী শিক্ষার্থীরাই এই মুহুর্তে হলে উঠতে পারছেন।
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে আবাসন সুবিধা পায় ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। ৭টি হলে প্রায় এক হাজারেরও বেশী শিক্ষার্থী গণরুমে থাকতেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল অফিস জানান, হলগুলোতে ও আশেপাশে এখনও সংস্কার কাজ অব্যাহত রয়েছে। সংস্কারে গত জুনে ইউজিসি থেকে দুই কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পায় ইবি। এর মধ্যে আটটি আবাসিক হল সংস্কারে বরাদ্দ পায় এক কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কাজের পরিধি ভেদে দুই থেকে প্রায় ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ পেয়েছে হলগুলো। তবে যথা সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় সংস্কারে বিলম্ব হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সি শহিদ উদ্দীন মোহাম্মাদ তারেক বলেন, গত ৬ অক্টোবর থেকে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। সার্বিক কাজ শেষ হতে আরও এক মাস সময় লেগে যাবে।
ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শেখ আব্দুস সালাম জানান, হল খুলে দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল না। শিক্ষার্থীদের সার্বিকভাবে সুস্থ থাকা ও সুস্থ রাখার বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সব নিয়ম মেনেই আগামী দিনগুলোতে কাজ করতে হবে। বিষয়গুলো নজর রাখতে কতৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাসিত শিক্ষার্থীরা।










