গত কয়েক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), মাথাপিছু আয়, আয়ুষ্কাল বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ধরনের সফলতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনীতি ও আর্থসামাজিক নানা সূচকে প্রভূত উন্নয়নের কারণে বাংলাদেশকে এখন বলা হচ্ছে ‘উন্নয়ন মিরাকল’। এসবই প্রতিফলিত হয় তথ্যে। যদিও সরকারের যেসব সংস্থা এসব তথ্য-পরিসংখ্যান তৈরি করে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। এতে আস্থাশীলতা হারাচ্ছে দেশের পরিসংখ্যানের মান।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন সময়ে শুমারি, খানা আয়-ব্যয় জরিপ (এইচআইইএস) ও পরিসংখ্যানগত তথ্য প্রকাশ করে থাকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এসব কাজে তথ্যের উৎস ও পদ্ধতিগত বিষয়গুলো ভালোমতো অনুসরণ করা হলেও ঠিক সময়ে তথ্য প্রকাশে দুর্বলতা রয়েছে সংস্থাটির।
এদিকে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) সংক্রান্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্যের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই অমিল হতে দেখা যাচ্ছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের তথ্যের। আবার সরকারি দুটি সংস্থার মধ্যেও একই তথ্য নিয়ে দুই ধরনের উপস্থাপনা রয়েছে। বিশেষ করে রফতানি বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের মধ্যে বড় অংকের পার্থক্য দেখা যায়।
প্রশ্ন উঠেছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের তথ্য নিয়েও। ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১১ মাসে গড়ে প্রতি মাসে এডিপি ব্যয় হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অর্থবছরের শেষ মাসে অর্থাৎ জুনে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় দেখিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), যা মোট ব্যয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
শ্রমশক্তি ও দেশের কর্মসংস্থানের তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং নীতি সিদ্ধান্ত নিতে প্রকাশ করা হয় লেবার ফোর্স সার্ভে (এলএফএস)। ২০১৩ সালে যে জরিপ করা হয় তার ফল প্রকাশ পায় ২০১৫ সালে। সর্বশেষ এলএফএস প্রকাশিত হয়েছে ২০১৮ সালে। এতে মূলত ২০১৬-১৭ সালের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আর গত তিন বছরে কোনো শ্রম জরিপই প্রকাশ পায়নি।
রাজস্ব আয় নিয়েও বেশকিছু তথ্যগত পার্থক্য দেখা দিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে। আবার সরকারের মোট ঋণের (টোটাল ডমেস্টিক বরোয়িং) পরিমাণ নিয়ে তথ্যগত পার্থক্য দেখা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ বিভাগের মধ্যে। মুদ্রানীতির তথ্য প্রণয়নের ক্ষেত্রে উৎস ও পদ্ধতি এখনো ভালো মানের হলেও সময়মতো প্রকাশের বিষয়ে রয়েছে দুর্বলতা।
সরকারি সংস্থাগুলোর পরিসংখ্যানগত দুর্বলতার চিত্র উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংকের স্ট্যাটিসটিক্যাল ক্যাপাসিটি স্কোরে। বিশ্বব্যাংক বলছে, গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে পরিসংখ্যানগত দুর্বলতা আরো তীব্র হয়েছে। দেশের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল ২০১৪ সালে। সে বছরে ১০০ পয়েন্টের মধ্যে প্রায় ৮০ পয়েন্ট পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২০১৯ সালে বাংলাদেশের স্কোর পয়েন্ট কমে ৬২ দশমিক ২-এ দাঁড়িয়েছে। তথ্যসূত্র ও উৎস, মেথডোলজি এবং সময়কাল এ তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে এই মূল্যায়ন করে বিশ্বব্যাংক। এক্ষেত্রে ২৫টি মানদণ্ডের বিপরীতে গড় স্কোর নির্ধারণ করে সংস্থাটি। সূচকটি তৈরিতে দেশের প্রায় সব ক্ষেত্রের তথ্যের সরবরাহ ও পদ্ধতিগত এবং সময় বিষয়গুলোর ওপর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রধান সূচক, ন্যাশনাল অ্যাকাউন্ট বা জিডিপির হিসাব, লেবার ফোর্স সার্ভে, বাণিজ্য (আমদানি-রফতানি) এইচআইইএস, দরিদ্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাজস্ব ও মুদ্রানীতিবিষয়ক তথ্য, বাজেট, ব্যালান্স অব পেমেন্ট, সব বিভাগের আর্থসামাজিক তথ্য।
বিশ্বব্যাংকের বিবেচনায় মূলত তথ্যের উৎস দুর্বলতা, মেথডোলজিক্যাল দুর্বলতা বা মান নির্ধারণে দুর্বলতা, নির্ভুলতা ও নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশ করতে না পারার কারণেই ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের তথ্যের মান দুর্বল হচ্ছে। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্ট্যাটিসটিক্যাল ক্যাপাসিটি স্কোরে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তানের ঠিক ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সূচকে ভারতের পয়েন্ট ছিল ৭৫ দশমিক ৬। এছাড়া ভুটান ৬৩ দশমিক ৩, শ্রীলংকা ৮১ দশমিক ১, পাকিস্তান ৭১ দশমিক ১, নেপাল ৭৪ দশমিক ৪ ও আফগানিস্তান ৫০ পয়েন্ট পেয়েছে। সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গড় ৬৯ দশমিক ১। আবার বাংলাদেশের ও তানজানিয়ার পয়েন্ট প্রায় সমান। প্রসঙ্গত, তানজানিয়ায় আইন করে জিডিপির তথ্যের বিষয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেকোনো জরিপ বা গবেষণার জন্য যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি জরুরি তা হলো সঠিকভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি, তথ্য সংগ্রহকারীদের নিয়োজন, প্রশিক্ষণ, সুপারভিশন এবং কার্যক্রমগুলোকে প্রি-টেস্ট করা। আবার খাদ্যসংক্রান্ত যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয় সেখানে খানার সদস্যরা কীভাবে তাদের খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করছে, সেটি ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, এক জিডিপির তথ্য দিয়েই মনে হয় বিবিএস সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। এর পরই রয়েছে মানুষের আয়ুষ্কালের এত দ্রুত বৃদ্ধি। সক্ষমতা বা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আর্থিক বা জনবলের কোনো সংকট আছে বলে আমার মনে হয় না। সংকট শুধু স্বায়ত্তশাসনে। এ প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে অটোনমি হারিয়ে ফেলেছে। ফলে ২০১৫ সাল থেকে জ্যামিতিক হারে অবস্থান তলানিতে গিয়েছে।
গত কয়েক বছরের ব্যবধানে শ্রম জরিপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সর্বশেষ জরিপে শ্রমশক্তির বিভিন্ন তথ্য চার প্রান্তিকে বিভাজন করে দেয়া হলো। আশা করেছিলাম, এর পর থেকে প্রতি বছর প্রকাশ হবে। কিন্তু তিন বছর হতে চলল সেটিও আর প্রকাশ হয় না। কেননা সেখানে উঠে এসেছে দেশে কর্মহীন প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। মানসম্মত কাজ ও কাজের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। এসব কারণেই কি জরিপটি এখন বন্ধ রয়েছে বা দেরিতে প্রকাশ হচ্ছে? অন্যদিকে সামাজিক ও ডেমোগ্রাফি বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বেশ ঝামেলা রয়েছে। বিবিএস প্রতিবেদনে এখনো অনেক বেশি সময় নিয়ে থাকে। তথ্য সংগ্রহ, প্রসেসিং ও ডেসিমিনেশনে প্রচুর সময় ক্ষেপণ করা হয়। কোনো ক্যালেন্ডারও মানা হচ্ছে না।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন সময়ে শুমারি, খানা আয়-ব্যয় জরিপ ও পরিসংখ্যানগত তথ্য প্রকাশ করে থাকে বিবিএস। তথ্যের উৎস ও পদ্ধতিগত সঠিকতা মেনে চললেও তা সময়মতো প্রকাশে বেশ দুর্বলতা রয়েছে সংস্থাটির। অন্যদিকে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্ট ও বেশকিছু খাতের তথ্য নিয়ে দুর্বলতা উঠে এসেছে। অনিয়মিত প্রকাশের কারণে সূচকের মানদণ্ডেও পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। ফলে দেরিতে প্রকাশের কারণে উপাত্তের গুরুত্ব অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে শস্য পূর্বাভাসে এখন রিমোট সেন্সিং ও স্যাটেলাইটের সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে। ফলে দ্রুত সময়ে সঠিক তথ্য দিতে পারছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো পুরনো পদ্ধতি অনুসরণ করছে। সেক্ষেত্রে তথ্য দেয়া হলেও বেশ সময় লেগে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা (এসআইডি) বিভাগের সাবেক সচিব রীতি ইব্রাহীম বণিক বার্তাকে বলেন, পরিসংখ্যান বিভাগের কার্যক্রম এখন আর পরিসংখ্যানের মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই। এটি এখন প্রশাসন ক্যাডারের ডাম্পিং পোস্টিং প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিবিএসের আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। প্রথমেই এসআইডিকে বিলুপ্ত করতে হবে। আমি নিজেই বিবিএসের একজন কর্মকর্তা ও এখানকার সচিবের দায়িত্ব পালন করে বুঝেছি কী ধরনের বাধা তৈরি করে এসআইডি। এজন্য বেশকিছু সংস্কার শুরু করেছিলাম। দ্বিতীয়ত, একটি পরিসংখ্যান কমিশন গঠন করতে হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। তৃতীয়ত, একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বিবিএসের মধ্যেই কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে। যেখানে বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণার জন্য প্রণীত কারিগরি কমিটিতে পরিসংখ্যানবিদদের স্থান নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ ব্যুরোতে পরিণত করতে হবে। প্রয়োজনে বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যানবিদদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিষ্ঠানের দুজন মানুষকে বাইরে না পাঠিয়ে বাইরের দেশের দুজন প্রশিক্ষক এনে দেশেই ৫০ জনকে প্রশিক্ষিত করতে হবে। পর্যায়ক্রমে জরিপ প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে। সর্বোপরি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতে হবে কর্মকর্তাদের।
উন্নত ও উন্নয়নশীল অধিকাংশ দেশেই জিডিপি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি, কর্মসংস্থান, উৎপাদন কিংবা ব্যয়সম্পর্কিত তথ্যগুলো মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষাণ্মাসিক আকারে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জিডিপি-সংক্রান্ত মাসিক বা ষাণ্মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ তো করেই না, এ-সংক্রান্ত বার্ষিক যে তথ্য প্রকাশ করে তা-ও নানা মহলে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। গত অর্থবছরে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির যে প্রাক্কলন করা হয়েছে সেটি কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, বিবিএসের তথ্যের বিষয়গুলো নিয়ে আমরা অল্প শোকে কাতর অধিক শোকে পাথর হয়ে গেছি। পরিসংখ্যান যে একটি বিজ্ঞান, সেটি থেকে সরে গেছি। আমরা বিবিএসের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বরাবরই বলে আসছি। প্রতিষ্ঠানটির উত্কর্ষ ও মান বৃদ্ধির জন্য এখনই স্বাধীন কমিশন গঠন প্রয়োজন। কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করে ক্ষমতাবান ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবিএস গড়ে উঠলে সেখান থেকে সরকারই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।
জানা গেছে, দেশের ব্যালান্স অব পেমেন্ট ও মুদ্রানীতির মেথডোলজি ও সোর্স আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত হয়েছে। তবে এ দুই খাতের তথ্য প্রকাশে সময়ক্ষেপণ রয়েছে। আবার রফতানি ও রাজস্ব খাতের তথ্য পিরিওডিক্যালি প্রকাশের ক্ষেত্রে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। রফতানি তথ্য প্রকাশে আন্তঃসংস্থার সমন্বয়ে এখন অগ্রগতি ভালো হয়েছে। কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে রাজস্ব খাত। তবে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল দায়িত্ব গ্রহণের পর সময়মতো এসব খাতের তথ্য প্রকাশে গতি এসেছে। গত কয়েক মাসে নিয়মিতভাবে রাজস্ব আয়, রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ও বাংলাদেশের ব্যাংকের বেশকিছু সূচকের তথ্য প্রকাশ করছেন তিনি। আন্তঃপ্রতিষ্ঠান সমন্বয় আনতে প্রতি তিন মাস পরপর অর্থ মন্ত্রণালয়গুলোর অধীন সংস্থাগুলো নিয়ে বৈঠক করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।










