২০২০ সালে ১ হাজার ৩৮১ দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪৬৩ জন, ২০২১ সালে ২ হাজার ৭৮ দুর্ঘটনায় ২ হাজার ২১৪, ২০২২ সালে ২৯৭ দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৯১, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৫৩২ দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৪৮৭, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৭৬১ দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬০৯, ২০২৫ সালে ৩ হাজার ২৯ দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬৭১ ও ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১ দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৭৭ জন নিহত হন।

গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩ হাজার ৫৪৮ দুর্ঘটনায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে, ৫ হাজার ৪৯৭ দুর্ঘটনা ঘটেছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এছাড়া ভারী যানবাহনের ধাক্কায় ৬ হাজার ৩১৪ এবং অন্যান্য কারণে ৭০৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এসব দুর্ঘটনার জন্য ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেলচালক এককভাবে দায়ী, ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ দুর্ঘটনায় বাসচালক দায়ী, পণ্যবাহী যানবাহন দায়ী (ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ইত্যাদি) ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ ঘটনায়, প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স-জিপ দায়ী ২ দশমিক ৭২ শতাংশ ঘটনায়, থ্রি-হুইলার দায়ী ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ ঘটনায়, বাইসাইকেল ও রিকশা দায়ী দশমিক ৭৬ শতাংশ ঘটনায় এবং ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য পথচারী দায়ী।

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে ৪ হাজার ৭৭৩টি, আঞ্চলিক সড়কে ৬ হাজার ৬৮৯, গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৫৭ এবং শহরের সড়কে ২ হাজার ৬৪৬টি দুর্ঘটনা।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের ৭১ শতাংশ মোটরসাইকেল, যার একটি বড় অংশ চালায় কিশোর-যুবকরা।