ষষ্ঠ ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও নবীনগর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটাররা ইভিএমের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ইভিএমে ভোটগ্রহণ হওয়ায় বিভিন্ন কেন্দ্রে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে বলে জানান ভোটারা।  

বিশেষ করে আঙ্গুলের ছাপ না আসা এবং নানা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোটারদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ভোট না দিয়েই বাড়ি ফিরে যান। অন্যদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নবীনগরের শিবপুর বাগাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কসবার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই ঘণ্টা বিলম্বে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 

রাতে জেলা নির্বাচন অফিস বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করে। এতে নবীনগর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নির্বাচনের ৪টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা হলেন, বিটঘর ইউপিতে মেহেদী জাফর, কাইতলা দক্ষিণ ইউপিতে মো. শওকত আলী, বড়াইল ইউপিতে মো. জাকির হোসেন  ও বিদ্যাকুট ইউপিতে জাকারুল হক। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন, কৃষ্ণনগর ইউপিতে আমজাদ হোসেন (চশমা) ও শিবপুর ইউপিতে এম.আর মজিব (আনারস) এবং নাটঘর ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তারুজ্জামান (মোটরসাইকেল)।

এদিকে কসবা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীক ছাড়া উন্মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন, মেহারী ইউপিতে মোশারফ হোসেন (টেবিলফ্যান), বাদৈর ইউপিতে শিপন আহম্মদ ভুইয়া (চশমা), গোপীনাথপুর ইউপিতে মো. মিজানুর রহমান (টেবিলফ্যান), বিনাউটি ইউপিতে বেদন খাঁন (ঘোড়া), কায়েমপুর ইউপিতে ইকতিয়ার আলম রনি (আনারস), বায়েক ইউপিতে মো. বিল্লাল হোসেন (অটোরিকশা) ও কসবা পশ্চিম ইউপিতে মো. মানিক মিয়া (অটোরিকশা)।