গাজীপুরের টঙ্গীতে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় অন্তত ২০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ও র্যাব এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বেলা পৌনে ১টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার গাজীপুরা এলাকার সেটার্ন টেক্সটাইল ও হোপলুন কারখানার সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লা ও ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ুনের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। দুপুরে সেটার্ন অ্যাপারেলস লিমিটেড পোশাক কারখানা থেকে ঝুট বের করা নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
কারখানার পাশে ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ী রমজান মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ লোকজনের হট্টগোল ও দুই পাশ থেকে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। প্রত্যেককেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে। সংঘর্ষের কিছুক্ষণ পরই বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলির শব্দও শোনা যায়। কারো কারো হাতে পিস্তলও দেখা গেছে।’
এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ুন বলেন, ‘আমার সঙ্গে করা একটি জুট ব্যবসার চুক্তি হালিম মোল্লা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিতে চাইছেন। তার নেতৃত্বে ১৫০-২০০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়।’
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান বলেন, ‘কে কোন দলের সেটা মুখ্য নয়। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










