পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ খানের সঙ্গে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শেখ মো. সিহাব উদ্দিনের সঙ্গে ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত শুক্রবার দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
হামলায় গুরুতর আহত সিহাব উদ্দিনের পক্ষের শেখ শহিদ জানান, রাত ৮টার দিকে ওই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শেখ সিহাব উদ্দিন কদমতলা বাজার মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হয়ে বাজার ব্রিজের কাছে গেলে কদমতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হানিফ খানের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ১০-১২ জনের একটি দল হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে আমরাও সেখানে পৌঁছালে চেয়ারম্যান নিজে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমাকে কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় হামলায় শাহ আলম শেখ (৬০), শফিজ
উদ্দিন শেখ (৪৮), সাইদুল
হাওলাদার (৩২) গুরুতর আহত হন।
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম বায়েজিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তার চাচা সিহাবের ওপর অতর্কিতভাবে হানিফ খানের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বাদল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। এ ঘটনায় গতকাল বিকাল পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।










