তরুণ বিজ্ঞানীদের বিশ্বসেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং জাতীয় উন্নয়নে এর উদ্ভাবনী প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. জেড এন তাহমিদা বেগম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সম্পাদক অধ্যাপক ইয়ারুল কবির। দেশ-বিদেশের চার শতাধিক গবেষক ও শিক্ষার্থী এ সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রচেস্টার ইউনিভার্সিটির খ্যাতনামা গবেষক অধ্যাপক ড. এহসান হকের থিম লেকচার। ‘অ্যান আনকনভেনশনাল পাথ থ্রু এআই অ্যান্ড হোয়াই ডিসিপ্লিন বিটস ট্যালেন্ট’ শীর্ষক এ বক্তৃতায় তিনি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে এআইয়ের ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণদের বৈশ্বিক নেতৃত্বে আসার আহ্বান জানান। বিশেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী মণি তার অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজের গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি উপজেলা পর্যায়ে হার্ট অ্যাটাক শনাক্তে সাশ্রয়ী ডিভাইস ও স্মার্ট হেলথ কার্ড ও প্রিসিশন এগ্রিকালচারে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন। এছাড়া বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও বিএএস ফেলো অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম তার গবেষণা দলের মাধ্যমে আলফাফোল্ড-৩ ও মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ব্লাস্ট-প্রতিরোধী গম উদ্ভাবন, কাঁঠালের জিনোম ডিকোডিং, বাংলাদেশের মাটির মাইক্রোবায়োম ম্যাপিং এবং জিনোম এডিটিংয়ের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন বিষয়ে তাদের যুগান্তকারী অভিজ্ঞতা ও সাফল্য তুলে ধরেন।