নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনের দায়িত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইজিবাইক ও অটোরিকশাচালকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর চাষাঢ়া ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে চালকরা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে জেলা প্রশাসন সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার কথা জানালে চালকরা অবরোধ তুলে নেন।
অটোরিকশাচালকদের অভিযোগ, চাষাঢ়ায় নির্ধারিত জায়গায় যাত্রী নামিয়ে অটোরিকশা ঘোরানোর সময় ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা গাড়ির চাকা ফুটো করে দেন। গতকাল সকাল থেকে বেশ কয়েকজন অটোরিকশাচালকের ওপর শিক্ষার্থীরা হামলা করেন। এ সময় তারা কয়েকটি অটোরিকশার গ্লাস ভাংচুর করেন।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় একজন ইজিবাইকচালক অনেকটা জোর করেই চাষাঢ়ার দিকে যেতে চান। বাধা দেয়ায় এক শিক্ষার্থীকে তিনি মারধর করেন। এ নিয়েই মূলত সংঘর্ষের সূত্রপাত।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘নগরীর চানমারী, মিশনপাড়া ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনে লাইসেন্স ছাড়া কোনো অটোরিকশা, ইজিবাইক প্রবেশ করতে পারবে না। কেউ আইন অমান্য করে প্রবেশের চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংঘর্ষে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা জেলা প্রশাসন থেকে করা হবে। একই সঙ্গে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। শিক্ষার্থীরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন। তবে তারা যেন কোনো অবস্থায়ই আইন নিজের হাতে তুলে না নেন সেদিকে খেলায় রাখতে হবে।’
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচানা করে বিষয়টি মীমাংসা করেছে। আশা করছি আগামীতে সবাই সহশনশীলভাবে রাস্তায় চলাচল করবেন।










