পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের মতো তার স্ত্রী ও দুই মেয়েও হাজির না হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের দ্বিতীয় দফায় তলব করা হয়েছিল। গতকাল দুদকে তাদের হাজির হওয়ার কথা ছিল।

দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানান, বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও তার দুই মেয়ে ২০ জুন দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। এবারের চিঠিতে নতুন করে সময়ের আবেদন করেননি। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের দেয়া লিখিত বক্তব্য অনুসন্ধানকারী টিম পর্যালোচনা করবে। আশা করি, তারা দ্রুত এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘অনুসন্ধান টিমের দেয়া প্রতিবেদন বা সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।’

দুর্নীতি ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল বেনজীর আহমেদের। কিন্তু হাজির না হয়ে ২০ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে অভিযোগের লিখিত বক্তব্য জমা দেন। 

বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৮ মে তলব করে দুদক। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো নোটিসে বেনজীর আহমেদকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। ৫ জুন বেনজীর আহমেদ আইনজীবীর মাধ্যমে ১৫ দিন বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বা তারা দেশে নেই। যদিও দুদক থেকে তাদের বিদেশ যাত্রায় কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি।