কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২০০৭ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। তবে দীর্ঘ ১৫ বছরেও মেলেনি ৫০ শয্যার জনবল। লোকবল সংকটের কারণে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও
নার্সরা অতিরিক্ত রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। চিকিৎসকের অভাবে রোগীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা। এতে দরিদ্র রোগীকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ২১টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন। জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (চক্ষু), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (ইএনটি), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (অর্থো সার্জারি), জুনিয়র
কনসালট্যান্ট (চর্ম ও যৌন), মেডিকেল
অফিসার (ইউনানি), সহকারী
ডেন্টাল সার্জনসহ নয়টি পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। সিনিয়র স্টাফ নার্সের পদ শূন্য আছে একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর ৮১টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ৪১টি। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারীর ৪০টি পদের মধ্যে ১৯টি পদই শূন্য। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ২২টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ১৪টি। অফিস সহায়কের চারটি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে তিনটি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পাঁচটি পদের মধ্যে শূন্য তিনটি। সিকিউরিটি গার্ডের দুটি পদই শূন্য রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবদাস দেব বলেন, পদগুলো দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় সেবাপ্রার্থীদের সঠিক সেবা দিতে কষ্ট হচ্ছে আমাদের। এ পদগুলোয় দ্রুত জনবল নিয়োগের দাবি জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা শূন্যপদের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই শূন্যপদগুলোয় জনবল নিয়োগ দিতে পারব।










