বিএনপির গণসমাবেশে বাধা, জনসমাগম সংকোচন ও
গণদুর্ভোগ সৃষ্টির জন্য বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। সমিতিও সরকারের
ইশারায় পুতুল নাচের মতো নাচছে। এ অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফরিদপুর
বিভাগীয় গণসমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফরিদপুরের সমাবেশস্থল
পরিদর্শনকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
আগামী ১২ নভেম্বরে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হবে
বিএনপির গণসমাবেশ। দলটির সমাবেশ ঘোষণার পরই একাধিক দাবিতে পরিবহন ধর্মঘটের আহ্বান করে
জেলার পরিবহন মালিকদের সমিতি।
সম্প্রতি জেলা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের
নেতারা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর চিঠি দিয়ে বলছেন, ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে
পরদিন সকাল ৬টা থেকে ১২ নভেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ৩৮ ঘণ্টা সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ
রাখা হবে।
গতকাল ডা. জাহিদ বলেন, গণতন্ত্রের আন্দোলনে
বরিশালের মতো ফরিদপুরের জনগণ সম্পৃক্ত হবে। ১০ ডিসেম্বর ঢাকার মহাসমাবেশের মাধ্যমে
আন্দোলনের প্রথম অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়ে দ্বিতীয় অধ্যায়ের সূচনা হবে।
এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুল
হক শাহজাদা মিয়া, ফরিদপুর বিভাগীয় গণসমাবেশের সমন্বয়কারী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির
সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল,
সহসাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাসুক, মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম, মহিলা দলের
যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি মাহবুবুল
হাসান ভুঁইয়া পিংকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতারা শহরের কোমরপুর এমএ আজিজ ইনস্টিটিউট
ময়দান পরিদর্শন করেন। মঞ্চ প্রস্তুতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন তারা।
এর আগে শহরের কাঠপট্টিতে জেলা বিএনপির দলীয়
কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডা. জাহিদ। আরো
উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর ফরিদপুরের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।










