ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই মাসের অভ্যুত্থানবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন ৬১ জনকে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ১৯ জন শিক্ষক, ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৩১ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ রয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) ওই ১৯ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানাতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাদের আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার (ভার) অধ্যাপক ড. মনজুরুল ইসলাম জানান, জুলাই-আগস্ট মাসে অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা বিরোধী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাদের চিহ্নিত করতে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটির প্রতিবেদনে ১৯ জন শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামীপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন কর্মরত অধিকাংশ কর্মকর্তা, শিক্ষক এই তালিকায় রয়েছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপরীতে কার্যক্রম নেয়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিহ্নিত করতে গত ১৬ মার্চ প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। পরে সময় বাড়িয়ে ১৩ আগস্ট উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। এতে মোট ১৯ শিক্ষক, ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৩১ শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে।
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় ইবিতে কোনো সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেনি।










