বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একটি পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে বাড়ির মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রবিবার উপজেলার মষনি গ্রামে স্থানীয় সাংবাদিক শুভঙ্কর দাস বাচ্চুর (৩৮) বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে আজ সোমবার সকালে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা।

বাচ্চু ছাড়াও অন্য অসুস্থরা হলেন, বাচ্চুর বাবা নিকুঞ্জ বিহারী দাস (৬৮), বাচ্চুর স্ত্রী প্রিয়াংকা রানী দাস (৩০), বাচ্চুর ছেলে ঋতজিৎ দাস (৮) এবং বাচ্চুর বোন সবিতা রানী দাস (২৮)। এদের মধ্যে বাচ্চু, নিকুঞ্জ ও ঋতজিৎ দাস এখনও কথা বলতে পারছেন না। 

বাচ্চুর স্ত্রী প্রিয়াংকা রানী দাস বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে খেয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত দুইটার দিকে টের পাই কে যেন আমার নাকে মুখে হাত দিচ্ছে। আমি ছেলের বাবাকে ডেকে আলো জেলে দেখি ঘরের সকল দরজা খোলা। আমার শশুর, ননদ, স্বামী ও সন্তান সবাই অজ্ঞান। আমি নিজেও শারীরিকভাবে অসুস্থ্য স্বাভাবিক চলাফেলা করতে পারছিলাম না। সকালে স্থানীয়রা আমাদের সকলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। 

বাচ্চুর বোন সবিতা রানী দাস বলেন, রাতের খাবার খাওয়ার পর আমাদের অতিরিক্ত ঘুম আসছিল। হয়তো কেউ খাবারের সাথে ঘুমের কোন ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। গভীর রাতে আমাদের ঘর থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ আমার এবং আমার বৌদির প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। 

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক পরিবারের সকল সদস্যকে অজ্ঞান করে মালামাল লুটের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়েছে।