সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় পাঁচ নারীকে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ দেয়া হয়েছে। আজ বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে স্মারক তুলে দেন প্রধান অতিথি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী গোলাম তৌসিফ। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সম্মাননা পেয়েছেন টাঙ্গাইলের আরিফা বেগম। শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী সম্মাননা পেয়েছেন মুন্সীগঞ্জের মারুফা আক্তার। শ্রেষ্ঠ সফল জননী নারী সম্মাননা পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ নাসরিন আক্তার। নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন শরীয়তপুর মুক্তা আক্তার। সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজি গোলাম তৌসিফ বলেন,‘আমাদের সংবিধানে নারী-পুরুষের কোনো বৈষম্য নেই। আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়তে চাই যেখানে নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরিপূরক। আজ যারা পুরস্কৃত হলেন, তারা সমাজের জন্য আলোকবর্তিকা এবং আমাদের অনুপ্রেরণা।’
সভাপতির বক্তব্যে শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সমাজ নারী নেতৃত্ব গ্রহণে সর্বদা প্রস্তুত। ৯১ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৫ বছর নারীরা এদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২৪ সালের গণআন্দোলন যখন প্রায় ব্যর্থ হতে যাচ্ছিল, তখন মেয়েরাই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে একে সফল করেছেন। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা বলেন, ‘নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ভিডব্লিউপি, ক্ষুদ্রঋণ এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির মতো ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামগুলো পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিকূলতা জয় করে এগিয়ে আসা নারীদের সম্মান জানানোই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।’










