স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, দেশে বিভিন্ন রোগের ওপর বিশেষায়িত বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও এন্ডোক্রাইনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনও কোনো জাতীয় ইনস্টিটিউট গড়ে ওঠেনি। এ বিষয়ে সুপরিকল্পিতভাবে অ্যাডভোকেসি শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার স্বার্থে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে ।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে নবম আন্তর্জাতিক এন্ডোক্রাইন কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির এ কনফারেন্সের আয়োজন করে।

দেশে বারডেম, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ঢাকা মেডিকেল কলেজের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোতে এন্ডোক্রাইনোলজি নিয়ে ব্যাপক কাজ হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ ব্যাপক হারে ডায়াবেটিস, থাইরয়েডসহ হরমোনজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। তাই এ বিষয়ের গুরুত্ব ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করা প্রয়োজন।

ড. এম এ মুহিত বলেন, আমরা অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে বিভক্তি এবং মানুষকে অসম্মান করার যে সংস্কৃতি তৈরি হতে দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী তা ভেঙে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার নিরলস চেষ্টা করছেন। এ ইতিবাচক চর্চাই সমাজ ও স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নেবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, হিউম্যান ফিজিওলজি ও প্যাথোলজির বড় ক্ষেত্র জুড়ে থাকা ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতার মতো বিষয়ে তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের তরুণ গবেষকরা আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে দেশের উপাত্ত ও গবেষণা প্রকাশ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সোসাইটির সভাপতি ড. ফারিয়া আফসানার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, সংগঠনের চিফ পেট্রোন ফারুক পাঠান, ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ, রিসার্চ সেক্রেটারি ডা নাজমা আক্তার প্রমুখ।