ভারত সবসময়ই একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’
গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘এই পবিত্র মাস আমাদের ধর্ম ও সংস্কৃতির মূলে থাকা সেই শাশ্বত মূল্যবোধগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। যা হলো মমতা, সহানুভূতি, উদারতা ও দয়া। এখানে সমবেত হয়ে আমরা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন এবং গভীর সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করছি, যা আমাদের এ সম্পর্ককে প্রকৃত অর্থেই জনকেন্দ্রিক করে তুলেছে। আমাদের দুই দেশ একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং গভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ ভাগ করে নেয়। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের যৌথ ত্যাগের অবিস্মরণীয় স্মৃতি আজও আমাদের দুই দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ ইফতার মাহফিলে আপনাদের উপস্থিতি আমাদের দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারেরই এক তাৎপর্যপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ। এ বরকতময় মাস আপনাদের ও আপনাদের পরিবারের জন্য সুস্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ বয়ে আনুক। এ পবিত্র মাস আমাদের সহানুভূতি, মমতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক মূল্যবোধকে নতুন করে জাগ্রত ও শক্তিশালী করুক। এ মহিমান্বিত মাস আমাদের আবারো মনে করিয়ে দিক যে সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমরা আমাদের অভিন্ন মানবতাবোধের মাধ্যমে একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত।’
প্রণয় ভার্মা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ পবিত্র মাস বন্ধুত্ব ও সংহতির পথে একসঙ্গে চলার জন্য আমাদের সম্মিলিত সংকল্পকে আরো সুদৃঢ় করুক।’
ভারতীয় হাইকমিশনের ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। অনুষ্ঠানে প্রণয় কুমার ভার্মা ও তার সহধর্মিণী মানু ভার্মা বিমানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। এছাড়া কূটনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।










