মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে বেড়েছে যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ। ছোটবড় বাহন, প্রাইভেটকার, মাইক্রো ও বাসের সংখ্যাও অনেক বেশি। এ অবস্থায় যাত্রী পারাপারে বাড়ানো হয়েছে ফেরি সংখ্যা। তবুও হিমশিম খেতে হচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষকে।

আজ শুক্রবার ভোর থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের আধিক্য দেখা গেছে। নাড়ীর টানে বাড়ি ফিরতে এবার মোটরসাইকেলযোগেও পথ ধরেছেন অনেকে। বাড়তি যোগ হয়েছে কাটা লাইনের গাড়ি। যে কারণে সাধারণ যাত্রীর চাপও রয়েছে ঘাটে।

কাটা লাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে শুধুমাত্র ঘাট পর্যন্ত কয়েকটি বাস বা ছোট যেসব গাড়ি পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়ায় আদায় করা হচ্ছে।

ঘাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার কোনো বাহন ছাড়াই হাজার হাজার যাত্রী ফেরি পার হচ্ছেন। আবার মোটরসাইকেল যোগেও একজন-দুজন যাত্রী পার হচ্ছে। ভোগান্তি কমাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২১টি ফেরি পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ফেরি স্বল্পতা অনুভব হচ্ছে। ফলে ধারণ ক্ষমতার চাইতে এসব জলযানে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া হচ্ছে।

ঈদযাত্রার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী শত শত যানবাহন পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে ঘাট ও ফেরি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যাত্রী পারাপারে সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে। যাত্রীদের চাপ যদি আরো বেড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে নদীর অপরপাশ থেকে খালি ফেরি আনিয়ে পারাপার করান হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. শাহ নেওয়াজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন, ঘাট ও যানবাহনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যানজট এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।