গতকাল সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’
গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকালের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ও সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গণপূর্ত মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক চাপ এলে তা আমরা সামাল দেব। আপনারা দেশের প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। বেআইনি বিষয়ে স্পষ্টভাবে আইন তুলে ধরবেন এবং প্রয়োজনে “না” বলতে শিখবেন। নির্ভয়ে ও সততার সঙ্গে কাজ করবেন।’
মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঢাকায় আবাসনের বিষয় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে দেশের কল্যাণে গঠনমূলক চিন্তা ও কার্যকর উদ্যোগ নিলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে।’
মতবিনিময় সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘আপনারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের চিন্তা পরিহার করে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজ না করে জনগণের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিষয়ে আমাদের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—জিরো টলারেন্স।’
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ফেরদৌসি বেগম, প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এম মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
মতবিনিময় সভায় দপ্তরপ্রধানরা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।










