নৌ পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে নৌপথ ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একটি মহল নানা অজুহাতে সে উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। চরের জমি কারো বাবার নয়। সরকারি উন্নয়ন কাজে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে চাইলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে বরিশালের হিজলা উপজেলার মৌলভীরহাট খেয়াঘাট সংলগ্ন নদীতে বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

ড. এম সাখাওয়াত বলেন, নদীতে প্রতি বছর পলি জমে। এ জন্য নদীতে ড্রেজিং করা প্রয়োজন। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলে তখন সে জায়গা অনেক উন্নত হয়। আগে এ নদী দিয়ে বড় বড় লঞ্চ, জাহাজ চলাচল করত। এখন পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। নদী খনন করে যদি চ্যানেল তৈরি করা যায়, তাহলে উন্নত লঞ্চ ঘাট করে দেয়া হবে। তাতে এলাকার উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত হবে।

এরপর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, সব জায়গায়ই এক শ্রেণীর লোক উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে জনগণকে সরকারের পাশে থেকে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত বছরগুলোতে দেশে মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামোর তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। ভোলা-বরিশাল সেতুর অর্থায়ন নিশ্চিত হলে কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন সেতু উপদেষ্টা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার, জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন, ড্রেজিং প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী, হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস সিকদার, হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।