বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে সম্প্রতি
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নে অবস্থিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে বনায়ন
প্রকল্পের উদ্যোগে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কেন্দ্র এবং নিরাপদ খাবার পানির প্লান্ট প্রবাহ
উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মো. ময়নুল
ইসলাম ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বনায়ন ও প্রবাহ
প্রকল্পের প্রতিনিধি শেখ শাবাব আহমেদ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাহবুবুর
রহমান, পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ
ও প্রশাসন) শেখ রাজিবুল হাসান এবং বনায়ন ও প্রবাহ প্রকল্পের প্রতিনিধি আহমেদ রায়হান
আহসানউল্লাহ, মিজানুর কবির, মোসলেমা আক্তার মায়া, আখতার আনোয়ার খানসহ পুলিশ ট্রেনিং
সেন্টারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, লৌহজং নদীর তীরে গড়ে উঠা মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া জমিদার বাড়িতে অবস্থিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার একটি ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের জন্য প্লান্ট স্থাপন করায় প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করায় বনায়ন প্রকল্পকে ধন্যবাদ দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, 'যেকোনো উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানির উপর। পরিবেশ ও প্রকৃতির বিঘ্ন না ঘটিয়ে আমাদের টেকসই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। আগামীতে নিরাপদ এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সহ সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে বনায়ন ও প্রবাহ প্রকল্প তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
উল্লেখ্য, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে 'বনায়ন' প্রকল্প যাত্রা শুরু করে। এখন পর্যন্ত ১৮ টি জেলায় সাড়ে ১১ কোটি গাছের চারা বিতরণ এবং রোপন করেছে। এছাড়াও 'প্রবাহ' ২০০৯ সাল হতে যাত্রা শুরু করে এখন পর্যন্ত ১১২ টি পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে ২ লক্ষ ৭৫ হাজারের অধিক মানুষের দৈনিক খাবার পানি সরবরাহ করে আসছে।
বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে
পরিণত করার লক্ষ্যে 'বনায়ন' এবং 'প্রবাহ' বরাবরই সরকারের সাথে যৌথভাবে টেকসই উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা (৩, ১০, ১৩ ও ১৫) অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।










