বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
গত
রোববার রাত ১০টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
নিহতের নাম বাচনু মারমা (৪৮)। তিনি ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন।
গতকাল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ৮-১০ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে একটি চায়ের দোকানে প্রবেশ করে।
এ
সময় ওই দোকানে বসে থাকা ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাচনু মারমা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তার বুকে, পেটে ও পিঠে গুলি করে হত্যা করে।
একই দোকানে থাকা মংক্যচিং মারমা (২৫) ও ক্যপ্রুমং মারমা গুলিবিদ্ধ হন।
দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা উচথোয়াই মারমা (৬০) ও হ্লামংসিং মারমাকে অন্য একটি দোকানের সামনে এবং আদাসী মারমাকে (৩৬) বৌদ্ধবিহারের সামনে (কেয়াং) গুলি করে আহত করে।
ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি গুলির খোসা, একটি পিলেট এবং অস্ত্রের সাত ইঞ্চি লম্বা কাঠের অংশবিশেষ জব্দ করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে গতকাল সকালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।
এতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাজী মজিবুর রহমান, ক্যাপ্টেন (অব.) তারু মিয়া,
সাধারণ সম্পাদক ও বাঘাইছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আলমগীর কবির প্রমুখ।










