ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাহাজটিতে ২০ জন চীনা, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশী নাবিক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। শনিবার দুজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বাকি ২২ জনকে উদ্ধারে অভিযান চলছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।

ভারতের সমুদ্রবিষয়ক প্রশাসনের নির্বাহী পরিচালক শ্যাম জগন্নাথ জানিয়েছেন, উদ্ধার করা দুই চীনা নাগরিক জানিয়েছেন, শুক্রবার তারা দেখতে পান জাহাজটি কাত হয়ে যাচ্ছে এবং একটি সময় ৮ মিনিটের মধ্যে জাহাজটি ডুবে যায়। তখন বাধ্য হয়েই তাদের জাহাজ থেকে নেমে যেতে হয়।

জাহাজটি ২০ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওড়িশার পারাদ্বীপ বন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। এতে ওড়িশা থেকে তোলা ১ হাজার ৭০০ টন লৌহ আকরিক ছিল।

শ্রী বিজয়া পুরমের মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পায়। জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিক্টরি স্টার গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড যোগাযোগ হারানোর বিষয়টি জানিয়ে উদ্ধার ও অনুসন্ধানে সহায়তার অনুরোধ করে।

এরপর ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কোস্টগার্ডের বরদ ও অনমোল নামের দুটি জাহাজকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে পাঠানো হয়। শ্রী বিজয়া পুরম থেকে ভিজিত নামের আরো একটি জাহাজও অভিযানে যুক্ত করা হয়।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযানে তিনটি জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা লাইফ র‌্যাফট থেকে দুজনকে উদ্ধার করেছে।