রোজার মাসে ইফতার, তারাবি ও সাহরির সময় যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারি, সে চেষ্টা আমাদের রয়েছে।’

গতকাল বিকালে যশোর সার্কিট হাউজে জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। সুন্দর ব্যবস্থাপনার কীভাবে জনদুর্ভোগ কমানো যায়, সেটা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। আমাদের একটু সময় দিতে হবে, ধৈর্য ধারণ করতে হবে। সুন্দর পরিকল্পনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগের নানা সংকট ও সমস্যার সমাধান আমরা করতে পারব।’

সামনের বোরো মৌসুমে রেশনিং করে হলেও চাষীদের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানের পরই সেচের মৌসুম। চাষীদের বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে বলেছি। অন্য জায়গা থেকে রেশনিং করে হলেও সেচের মৌসুমে চাষীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সামনের সেচ মৌসুমে চাষীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ, পানি নিশ্চিত করাটাই আমাদের প্রধান কাজ।’

এর আগে বিকালে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে যশোর জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সভায় কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ বিভাগের নানা সংকটের কথা তুলে ধরেন। এসব সংকটের সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

সভায় পল্লী বিদ্যুৎ ও ওজোপাডিকোর বিভাগীয় ও জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর প্রথমবারের মতো গতকাল সকালে নিজ জেলা যশোরে পৌঁছেন তিনি।