নওগাঁয় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) লাইসেন্সসংক্রান্ত তথ্য দিতে ডেকে বণিক বার্তার প্রতিনিধি আরমান হোসেন রুমনের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়েছে। গতকাল বিকালে বিআরটিএ কার্যালয়ের ভেতর ও বাইরে দুই দফায় ইন্সপেক্টর ফয়সাল হাসানের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।
জানা যায়, নওগাঁ বিআরটিএ কার্যালয় থেকে পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সসংক্রান্ত তথ্য চেয়ে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তথ্য অধিকার ‘ক’ ফরমে আবেদন করেন বণিক বার্তার নওগাঁ প্রতিনিধি আরমান হোসেন রুমন। নিয়মানুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য প্রদানের শর্ত থাকলেও সে সময়ের মধ্যে ওই তথ্য দেয়া হয়নি। এরপর আপিলের জন্য বিআরটিএ রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরে নওগাঁর সহকারী পরিচালক রুমনকে তথ্য দিতে সম্মত হয়ে অফিসে আসতে বলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিকাল ৩টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন বিআরটিএ অফিসে তথ্য নিতে যান রুমন। সহকারী পরিচালকের কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় দালালসহ প্রায় ৩০ বহিরাগত নিয়ে রুমনের ওপর হামলা চালান ইন্সপেক্টর ফয়সাল হাসান। অফিস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আবারো সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয় তার ওপর।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিআরটিএ ইন্সপেক্টর ফয়সাল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে হামলা করার জন্য নির্দেশ দেইনি বা হামলাও করিনি।’
নওগাঁ বিআরটিএ সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি তথ্য দিতে চেয়েছি। কিন্তু অফিসের ভেতর বা বাইরে ওই সাংবাদিকের ওপর যে হামলার কথা বলা হচ্ছে সে বিষয়ে আমি অবগত না।’
জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান বলেন, ‘ঘটনার পর সাংবাদিক নেতারা এসেছিলেন। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










