ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনসে কর্মরত কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল দুপুরে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. রাফিজুল ইসলাম এ পরোয়ানা জারি করেন। আসামি সাদ্দাম হোসেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আমীর আলীর ছেলে। ২০১৫ সালে তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে যোগ দেন।

আদালতের পেসকার মো. সাঈদ জানান, বাদীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহ জেলাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তাদের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মতিউর রহমান ফয়সাল বলেন, ২০২১ সালের ২২ অক্টোবর জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় ভুক্তভোগী তরুণীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে পিবিআইকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেন আদালত। চলতি বছরের ২৩ জুন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পিবিআই। তদন্তে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়ায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা ন্যায়বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম বিয়ের প্রলোভন এবং ভয় দেখিয়ে প্রতিবেশী  তরুণীকে (২১) একাধিকবার ধর্ষণ করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সাদ্দামকে বিয়ের কথা বলা হলে তিনি এড়িয়ে যান। পরে তরুণী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে কাজ না হওয়ায় আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী।