লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে  কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভোটগ্রহণের পরিবেশ না থাকলে সব নির্বাচন বন্ধ করে দেয়া হবে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তা বন্ধ থাকবে; তবুও ত্রুটিযুক্ত কোন নির্বাচনে যাবে না কমিশন।

বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনে অনিয়ন-কারচুপি নিয়ে বিএনপির অভিযোগ সঠিক নয় উল্লেখ করে সিইসি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে যায়নি, তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। নির্বাচনে কারচুপি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া অনিয়ম হলে প্রার্থী আইনের আশ্রয় নেয়ারও সুযোগ রয়েছে।

অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিবে। তিনি সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে রিটার্নিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিবে।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, পুলিশ সুপার ড. এএইএম কামরুজ্জামান, রিটার্নিং অফিসার দুলাল তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, আগামী ২১ জুন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন এবং রামগতি ও কমলনগরের ৬ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সংসদীয় নির্বাচন ইভিএমে এবং ইউপি নির্বাচন ব্যালটে অনুষ্ঠিত হবে।