এ উপলক্ষে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদগুলোয় বাদ জুমা তার জীবনীর ওপর আলোকপাত করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ ১৯৬০ সালের ১৯ আগস্ট পাকিস্তান বিমান বাহিনী একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ১৯৬২ সালের ১ জুলাই জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি ছিলেন একজন চৌকস বৈমানিক। তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনী ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে ২ নং সেক্টরে (মতিনগর ও মেলাঘর) স্থলযুদ্ধে যোগ দেন। পরে ১নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। স্থলযুদ্ধে তিনি অদম্য সাহসের সঙ্গে রামগড় থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত অসংখ্য দুঃসাহসিক অপারেশন পরিচালনা করেন। সুলতান মাহমুদ ১৯৮১ সালের ২৩ জুলাই বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্ব নেন এবং ১৯৮৭ সালের ২৩ জুলাই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন থেকে অবসর নেন। সুলতান মাহমুদ, বীর উত্তমকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০১৮’-এ ভূষিত করে সরকার। তিনি ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। —আইএসপিআর










