গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এ সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাৎকালে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান ও অর্জনগুলো যথাযথভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগদান উপলক্ষে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের কার্যক্রম ও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযথভাবে তুলে ধরার বিষয়টি আলোচনায় স্থান পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন ড. আইরিন খান। এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়াকে বড় চ্যালেঞ্জ ও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন তারা। এসব অপপ্রচার মোকাবেলায় কার্যকর যোগাযোগ কৌশল, দ্রুত তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা, সঠিক তথ্য তুলে ধরা এবং ডিজিটাল প্লাটফর্মে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে করণীয় নিয়েও আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরেন। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবেলায় সরকার, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।