গতকাল ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদন থেকে জানা যায়, আসামির বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো অর্থ পরিশোধ না করেই অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে গুলশান-২ এলাকার বাড়ি নং-৫এ ও ৫বি (পুরনো), বর্তমানে ১১এ ও ১১বি (নতুন), রোড নং-৭১, ঢাকা-১২১২ ঠিকানার ফ্ল্যাট নং-বি/২০১ এর দখল বুঝে নেন।

তদন্তে আরো জানা যায়, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম থাকায় সম্পত্তিটি হস্তান্তরযোগ্য ছিল না—এটি জানা সত্ত্বেও টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক তার আপন খালা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকার সুবাদে ও প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি হিসেবে দলীয় প্রভাব ব্যবহার করেন। পাশাপাশি রাজউকের আইন উপদেষ্টা হওয়ার সুবাদে সংস্থাটির আইন কর্মকর্তাকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করে ইস্টার্ন হাউজিংকে আমমোক্তার অনুমোদন ও ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমোদন পাইয়ে দেন। এতে অবৈধ সুবিধা দেয়া-নেয়ার মাধ্যমে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তিনি ফ্ল্যাটটি বিনামূল্যে গ্রহণ করেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনে আরো বলা হয়, মামলা দায়েরের আগেই আসামি দেশত্যাগ করেছেন এবং মামলা প্রমাণে সহায়ক প্রমাণাদি ও আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।