একজন সাধারণ গৃহিণী হিসেবে পরিবারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনে তাকে রাজপথে নামতে হয়। সামরিক শাসনের হাত থেকে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।’
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ’।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে শুরু করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় আজকের এ পর্যায়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং শিল্প-কারখানাগুলোকে ব্যক্তি মালিকানায় ফিরিয়ে দিয়ে উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করেন।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারেক রহমান আজ জাতির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জনগণের ভোট ও ম্যান্ডেটে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জাতির নেতৃত্ব হাতে নিয়েছেন। ২৫ ডিসেম্বর দেশের মাটিতে পা রাখার ৫৭ দিনের মাথায় জনগণের ভোটে ও জাতির ম্যান্ডেটে তারেক রহমান জাতির নেতায় রূপান্তরিত হয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই সময়ে যদি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবিত থাকতেন, তাহলে তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হতেন। পৃথিবীর সব মা তার সন্তানকে গর্বিত দেখতে চান, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার মৃত্যুর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব সাইফ মাহামুদ জুয়েল। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।










