রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কক্ষে ভাংচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের
ঘটনায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। ১৭ জুলাই রাবি
শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ুম মিয়া বাদী হয়ে ২০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে
নগরীর মতিহার থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে প্রায় ৬৭ লাখ ৩০
হাজার টাকা সমমূল্যের জিনিস লুণ্ঠিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বুধবার রাতে মতিহার থানার ওসি শেখ মোবারক পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ১৬ জুলাই বিকালে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাদের কক্ষে ভাংচুর করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বেশকিছু মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগও করা হয়। ছাত্রলীগের কক্ষগুলোয় তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেন আন্দোলনকারীরা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সালাউদ্দিন আম্মার, অর্থনীতি বিভাগের তোফায়েল আহমেদ তপু, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের ফজলে রাব্বি, আরবি বিভাগের মাহাদী হাসান মাহির, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের মাহাদী হাসান মারুফ, সমাজকর্ম বিভাগের মেহেদী হাসান সজীব, দর্শন বিভাগের আশিকুল্লাহ মুহিব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শাহ পরান, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের দেওয়ান বাঁধন, সিরামিকস বিভাগের তানভীর আহম্মেদ রিদম, অর্থনীতি বিভাগের মনিমুল হক, নেত্রকোনার আবুল কালাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মেহেদি, অর্থনীতি বিভাগের আল মুহি ফেরদৌস, রসায়ন বিভাগের শাহরিয়ার পলাশ, ফার্মেসি বিভাগের আনারুল, নগরীর মির্জাপুর এলাকার নাইম ও হাসিবুল, বুধপাড়ার হাবিবুর ও আশিকুর রহমান এবং কাজলার শাহরিয়ার আহমেদসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন।
মামলার বাদী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ুম মিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হলে আমার কক্ষসহ বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীরা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। আমার ও নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। আমি আতঙ্কিত হয়ে মতিহার থানায় ২০ শিক্ষার্থীর নামে মামলা করেছি।’
এ বিষয়ে মতিহার থানার ওসি শেখ মোবারক পারভেজ বলেন, ‘কাইয়ুম মিয়া নামে এক শিক্ষার্থী ২০ জনের নামে মামলা করেছেন।’










