ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে গতকাল শনিবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টা থেকে আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টানা ১১ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়েন অসংখ্য যাত্রী ও পরিবহনকর্মী।

এ সময় উভয় ঘাটে আটকে পড়ে তিন শতাধিক যানবাহন। এর মধ্যে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী বাস মিলে শতাধিক যানবাহন এবং দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ জানায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো পারাপার করার পর পর্যায়ক্রমে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো পারাপার করা হবে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, রাত সাড়ে দশটার দিকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ফেরির মার্কিং লাইটের আলো অস্পষ্ট হয়ে যায়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখে দেয়। ফলে যাত্রী ও যানবাহনের জানমালের নিরাপত্তায় সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ সময় মাঝনদীতে চারটি ফেরিকে নোঙর করে রাখা হয়।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে গতকাল রাত সাড়ে নয়টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। মাঝ নদীতে নোঙর করে রাখা হয় দুটি ফেরি। সকাল সাড়ে নয়টায় কুয়াশা তীব্রতা কেটে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু করে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আটকে থাকা যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস পারাপার করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হবে বলে তিনি জানান।