বান্দরবান ভ্রমণে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সদর উপজেলা, লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদম ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপতত কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। একই সঙ্গে প্রান্তিক লেক, মেঘলা, নীলাচল, বান্দরবান-থানচি সড়কের শৈলপ্রপাত, চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণ করতে পারবে পর্যটকরা। তবে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় ভ্রমণের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সেখানে পর্যটক ভ্রমণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘পর্যটকদের জন্য জেলার বেসরকারি হোটেল, মোটেল, রিসোর্টগুলোর ছাড়ের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে জেলা প্রশাসন পরিচালিত মোটেলগুলোয়ও ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে গত ৮ অক্টোবর থেকে বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। সার্বিক বিষয় আলোচনার জন্য গত ৩০ অক্টোবর পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন জেলা প্রশাসক।
সভায় অংশীজনরা বলেন, জেলায় পর্যটন শিল্প বিকাশের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৭০ শতাংশ মানুষ এ খাতে সম্পৃক্ত রয়েছে। কিন্তু গত তিন বছরে বিভিন্ন সময় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে এ খাতের চাঞ্চল্যতা স্থবির হয়ে গেছে। অনেক ব্যবসায়ী ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগকারী যেমন আসছে না, তেমনি আগের বিনিয়োগকারীরাও হতাশ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।










