গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিন দম্পতি রয়েছেন। এছাড়া এক দম্পতির সন্তান ও তাদের গাড়িচালকেরও মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো ২৫-৩০ জন।
নিহতরা হলেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকার পিয়ার আলী মোল্যার ছেলে ফিরোজ মোল্যা (৩৮), তার স্ত্রী রুমা বেগম (৩৬), রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক বাসুদেব সাহা, তার স্ত্রী শিবানী সাহা, ছেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল সাহা (১৯), এ পরিবারের ব্যক্তিগত গাড়িচালক আজিজুর ইসলাম (৪২), ফুকরা গ্রামের জিন্দার ফকিরের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী অনিক বাব (২৭) ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (২১)।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় স্থানীয় লোকজন মহাসড়কের ওপর ধান মাড়াইয়ের কাজ করছিলেন। এমন সময় রাজীব পরিবহনের একটি বাস, চিকিৎসক বাসুদের সাহার প্রাইভেট কার ও একটি মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রাইভেট কারটি ছিটকে রাস্তার ওপর থাকা ধান মাড়াই যন্ত্রের ওপর গিয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। আহত হন ২৫-৩০ জন। পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া টাঙ্গাইলের মধুপুরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই বাসের অন্তত ২৫ জন। নিহত চালকের নাম শামীম (৪৫)। গতকাল সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মধুপুরের গাংগাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মধুপুর থানার উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ জানান, ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা প্রান্তিক পরিবহন ও টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা মাহি পরিবহনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। নিহত শামীম প্রান্তিক পরিবহনের বাসটি চালাচ্ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।










